দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

জাপান ও জার্মানির বিরূদ্ধে মিত্রশক্তির সম্মিলিত যুদ্ধ প্রচেষ্টাতে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। ভারত থেকে কুড়ি লক্ষ সৈন্য মধ্যপ্রাচ্যের বহু যুদ্ধে, ভারত ও বার্মা সীমান্তে লড়াই করে। এছাড়াও ভারত বহু কোটি পাউন্ড ব্রিটিশ যুদ্ধ প্রচেষ্টার জন্য দিয়েছিল। ভারতের মুসলমান এবং শিখ জনগণ ব্রিটিশদের যুদ্ধ প্রচেষ্টার শক্তিশালী সমর্থক ছিল। কিন্তু হিন্দু জনসংখ্যার মতামত এ বিষয়ে বিভক্ত ছিল। 

 

কংগ্রেস যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল এবং হাজার হাজার কংগ্রেস নেতাদের ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কারারুদ্ধ করা হয়।[৩০][৩১][৩২] পূর্ব ভারতে একটি প্রধান দুর্ভিক্ষের ফলে অনাহারে লক্ষ লক্ষ লোক মারা গিয়েছিল। চার্চিলের জরুরী খাদ্য ত্রাণ প্রদান অনিচ্ছার কারণে দুর্ভিক্ষটি খুবই বিতর্কিত বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

 

[৩৩] ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু সাথে সাথে, ভাইসরয় লর্ড লিনলিথগো ভারতের পক্ষ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করেন ভারতীয় নেতাদের সাথে কোন আলোচনা না করেই। এর প্রতিবাদে কংগ্রেসের প্রাদেশিক মন্ত্রকগুলি পদত্যাগ করে। এর বিপরীতে, মুসলিম লীগ, যুদ্ধের প্রচেষ্টায় ব্রিটেনকে সমর্থন করেছিল। মুসলীম লিগ, এই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছিল যে কংগ্রেস দ্বারা প্রভাবিত স্বাধীন ভারতে মুসলিমদের সাথে অন্যায় আচরণ করা হবে।

 

হিন্দুদের মধ্যে যারা কংগ্রেসের সাথে জড়িত ছিল না তারা যুদ্ধপ্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। দুই প্রধান শিখ গোষ্ঠী, ইউনিয়নপন্থী ও অকলি দল, ব্রিটেনকে সমর্থন করে এবং বৃহত্তর সংখ্যায় শিখদের যুদ্ধে সেনাবাহিনীতে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে আহ্বান জানায়।[৩৪]


ভারত ছাড়ো আন্দোলন

ব্রিটিশরা যুদ্ধপরবর্তী স্বাধীনতা এবং ডমিনিয়ন মর্যাদার বিনিময়ে যুদ্ধের প্রচেষ্টায় ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে একটি উচ্চ স্তরের ক্রিপস মিশন পাঠায়। কংগ্রেস অবিলম্বে স্বাধীনতা দাবি করে এবং এই মিশনটি ব্যর্থ হয়। ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে গান্ধীজি "ভারত ছাড়" আন্দোলনের সূচনা করেন এবং ভারত থেকে ব্রিটিশদের তাৎক্ষনিক প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং দেশব্যাপি আইন অমান্য শুরু হয়। 

 

হাজার হাজার কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে গান্ধীকে অবিলম্বে কারারুদ্ধ করা হয়। দেশ উত্তোলিত হয়ে ওঠে প্রথমে ছাত্রদের নেতৃত্বে এবং পরে কৃষক রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলির স্থানীয় হিংসাত্মক ঘটনার মধ্য দিয়ে। এগুলি ঘটেছিল মূলত পূর্ব ইউনাইটেড প্রদেশগুলিতে, বিহার এবং বাংলায়। জন. এফ. রিডিকের মতে ৯ আগস্ট ১৯৪২ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৪২ অবধি ভারত ছাড়ো আন্দোলনে:
 

৫৫০টি ডাকঘর, ২৫০টি রেলওয়ে স্টেশন আক্রান্ত হয়, অনেক রেল লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ৭০টি থানা ধ্বংস হয় এবং ৮৫ টি সরকারি ভবন পুড়িয়ে ফেলা বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। ২৫০০টি টেলিগ্রাফের তার কাটার ঘটনা ঘটে। ভারত সরকার শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য ৫৭টি ব্যাটালিয়নের সেনা মোতায়েন করে।[৩৪]

পুলিশ এবং সেনাবাহিনী ছয় সপ্তাহের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রতিরোধকে দমন করে। এই সময়ে জাতীয়তাবাদী নেতারা কারাবন্দী ছিলেন।[৩৫]
সুভাষ চন্দ্র বসু এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশন্যাল আর্মি (আইএনএ) কংগ্রেস নেতারা জেলে থাকাকালীন সুভাষচন্দ্র বসুর দিকে নজর পড়ে। 

 

১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে কংগ্রেসের রক্ষণশীল শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের কারণে তিনি কংগ্রেস থেকে বিচ্ছিন্ন হন।[৩৬] বসু এবার জার্মানি এবং জাপানের সাহায্যে বলপূর্বক ভারত স্বাধীন করতে উদ্যোগী হন।[৩৭] জাপানের সহায়তায় তিনি ইন্ডিয়ান ন্যাশন্যাল আর্মি সংগঠিত করেন। এটির বেশিরভাগ ছিল ব্রিটিশ ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর ভারতীয় সৈন্যদের নিয়ে গঠিত যারা সিঙ্গাপুরে জাপানীদের দ্বারা বন্দী হয়েছিল। 

 

এদের মধ্যে বহু শিখ এবং হিন্দু ও মুসলমানরাও ছিল। জাপান সিক্রেট সার্ভিস দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াতে অশান্তি তৈরি করে ব্রিটিশ যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করার জন্য।[৩৮] তারা অধিকৃত এলাকায় কিছু পুতুল এবং অস্থায়ী সরকারকে সমর্থন করে। এদের মধ্যে ছিল বার্মা, ফিলিপিনস এবং ভিয়েতনাম এবং বসুর রাষ্ট্রপতিত্বে থাকা আজাদ হিন্দের অস্থায়ী সরকার।

 

[৩৯] বসুর প্রচেষ্টা বেশিদিন স্থায়ী হয় নি। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দের পরাজয়গুলির পর নতুনভাবে শক্তিশালী ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনী ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম জাপানী ইউ গো আক্রমণ থামিয়ে দেয় এবং তারপর এটিকে পশ্চাতে ফিরিয়ে দেয়। এইভাবে বার্মা অভিযানের সফল অংশ শুরু হয়। সিঙ্গাপুরের আবার পুর্নদখলের সঙ্গে বসুর ইন্ডিয়ান ন্যাশন্যাল আর্মি আত্মসমর্পণ করে। বসু এর কিছু পরেই বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান। 

 

ব্রিটিশরা আইএনএ অফিসারদের বিচার দাবি করে, কিন্তু জনমত, কংগ্রেস, এমনকি ভারতীয় সেনা মনে করত যে আইএনএ ভারতীয় স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছে এবং বিচারটির অন্ত হওয়া উচিত। ইয়াসমিন খান বলেন, "আইএনএ ভারতে যুদ্ধের আসল হিরোতে পরিণত হয়।" কিছু অশান্তি এবং জাতীয়তাবাদী সন্ত্রাসের পরে এই বিচার বন্ধ করা হয়।[৪০][৪১][৪২][৪৩]


আর্থিক সংস্থান

ব্রিটেন যেখান থেকে সম্ভব সেখান থেকেই ঋণ নিয়েছিল এবং যুদ্ধের সময় ভারতে যুদ্ধোপকরণ ও সরবরাহের বিপুল ক্রয় করেছিল।[৪৪] আগে ভারতের ব্রিটেনের কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া ঋণ ছিল; এখন এর বিপরীত হয়ে গেল।[৪৫] ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে সারা পৃথিবী জুড়ে ব্রিটেনের স্টার্লিং ব্যালান্স হয়েছিল ৩৪০ কোটি পাউন্ড; এর মধ্যে ভারতের অংশ ছিল ১৩০ কোটি পাউন্ড (যা ২০১৬ সালের মার্কিন ডলারের মাপকাঠিতে ৭৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের সমতূল্য)।

 

[৪৬][৪৭] এইভাবে ব্রিটিশ রাজ কোষাগার খুব বেশি পরিমাণ ব্রিটিশ পাউন্ডের স্টার্লিং মজুদ করে যা ব্রিটিশ কোষাগার কর্তৃক ব্রিটিশ রাজ কোষাগারের কাছে বকেয়া ছিল। যদিও ব্রিটেন এটিকে একটি দীর্ঘমেয়াদী সুদবিহীন ঋণ হিসাবে গণ্য করে যার কোন নির্দিষ্ট ফেরত তারিখ ছিল না। লন্ডন থেকে কখন এই টাকা পাওয়া যাবে সেটা ছিল একটা সমস্যা, কারণ ব্রিটিশ কোষাগার ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রায় খালি হয়ে গিয়েছিল। 

 

ভারতের অংশ মার্চ ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে দাঁড়ায় ভারতীয় মুদ্রায় ১৭২৪ কোটি টাকা এর মধ্যে ১৫১২ কোটি টাকা ( ১১৩.৪ কোটি পাউন্ড) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ করা হয় তাদের স্বাধীনতার সময়ে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসে। তারা শেষ অবধি তাদের টাকা পায় এবং ভারত তার সমস্ত অংশ ১৯৫৭ সালের মধ্যে খরচ করে ফেলে।[৪৮]
 

ক্ষমতা হস্তান্তর

১৯০৯ সালের ভারতের নিয়ন্ত্রক ধর্ম, ১৯০৯ সালের ব্রিটিশ ভারত সাম্রাজ্যের মানচিত্র যেখানে দেখানো হয়েছে বিভিন্ন এলাকাতে সংখ্যাগুরু নিয়ন্ত্রক ধর্মমত অনুসরণকারী জনসংখ্যা।

জানুয়ারি ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সশস্ত্র বাহিনীতে কয়েকটি বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এটা রয়্যাল এয়ারফোর্সের কর্মীদের থেকে শুরু হয় যারা তাদের ধীরে ব্রিটেনে ফেরৎ পাঠানোতে হতাশ হয়ে পড়েছিল।[৪৯] ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ এ বম্বেতে রয়্যাল ইন্ডিয়ান নেভিতে বিদ্রোহ শুরু হয়। এর পর তা শুরু হয় কলকাতা, মাদ্রাজ এবং করাচিতে। 

 

যদিও এই বিদ্রোহগুলি তাড়াতাড়ি দমন করা হয়েছিল, এগুলি ভারতে প্রচুর জনসমর্থন পায় এবং ব্রিটেন নতুন লেবার সরকারকে তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করে এবং ভারতে একটি ক্যাবিনেট মিশন পাঠানো হয় যার নেতৃত্বে ছিলেন রাষ্ট্র সচিব লর্ড পেথিক লরেন্স এবং এই মিশনে ছিলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস, যিনি চার বছর আগেও ভারতে এসেছিলেন।

 

[৪৯] ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে ভারতে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করা হয় যাতে কংগ্রেস এগারোটি প্রদেশের মধ্যে আটটি প্রদেশে জয়লাভ করে।[৫০] কংগ্রেস এবং মুসলিম লিগের মধ্যে আলোচনা ভারত ভাগের বিষয়কে কেন্দ্র করে হোঁচট খায়। জিন্না ১৬ই আগস্ট ১৯৪৬ দিনটিকে ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে বলে ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে মুসলমান স্বভূমির গঠনের দাবিকে তুলে আনা। 

 

এর পর দিন হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা কলকাতাতে শুরু হয় এবং তারপর তা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। ভারত সরকার এবং কংগ্রেস দুই পক্ষের কাছেই এই ঘটনা একটা ধাক্কা ছিল। সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জওহরলাল নেহরু ছিলেন এই সংযুক্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

এই বছরের পরের দিকে ব্রিটেনে লেবার সরকার, যার কোষাগার সম্প্রতি শেষ হওয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল, ভারতে ব্রিটিশ শাসন সমাপ্ত করবার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের শুরুর দিকে ব্রিটেন জুন ১৯৪৮ এর আগে ক্ষমতা হস্তান্তরের ইচ্ছার কথা ঘোষণা করে।

স্বাধীনতা নিকটবর্তী হতে, পাঞ্জাব এবং বাংলা প্রদেশগুলিতে হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা অবিশ্রান্তভাবে চলতে থাকে। ব্রিটিশ সেনা বর্ধিত হিংসার জন্য তৈরি ছিল না। নতুন ভাইসরয় লুইস মাউন্টব্যাটেন ক্ষমতা হস্তান্তরের তারিখ এগিয়ে আনেন। এর ফলে স্বাধীনতার জন্য পারস্পরিক সম্মতিতে পরিকল্পনার জন্য ছয় মাসেরও কম সময় পাওয়া যায়। জুন ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে জাতীয়তা বাদী নেতারা ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ করার বিষয়ে রাজি হন। 

 

এঁদের মধ্যে ছিলেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসাবে নেহরু এবং আবুল কালাম আজাদ, মুসলিম লিগের প্রতিনিধি হিসাবে জিন্না, দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসাবে বি. আর. আম্বেদকর, শিখদের প্রতিনিধি হিসাবে মাস্টার তারা সিং। প্রধানত হিন্দু এবং শিখ এলাকাগুলি ভারতে দেওয়া হয় এবং মুসলমান এলাকাগুলি যায় পাকিস্তানে। এই পরিকল্পনাটিতে মুসলমান-সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলি পাঞ্জাব এবং বাংলার বিভাজন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

বহু লক্ষ মুসলমান, শিখ এবং হিন্দু উদ্বাস্তুরা নতুন সীমানা ধরে হাঁটতে থাকে। পাঞ্জাবে নতুন সীমারেখা টানা হয়েছিল যা শিখ অঞ্চলকে আধাআধি বিভক্ত করে দিয়েছিল। সেখানে ব্যাপক রক্তপাত শুরু হয়। বাংলা এবং বিহারে গান্ধীর উপস্থিতি সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতিকে প্রশমিত করেছিল। এখানে হিংসা ছিল সীমিত। সব মিলিয়ে নতুন সীমানার দুই পারের ২,৫০,০০০ থেকে ৫,০০,০০০ এর মধ্যবর্তী মানুষ হিংসায় মারা যায়।

 

[৫১] ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে নতুন পাকিস্তান অধিরাজ্য সৃষ্টি হয়। মহম্মদ আলি জিন্না এর প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসাবে করাচিতে শপথ গ্রহণ করেন। এর পরদিন ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত, যা এখন ছিল একটি ছোট ভারতীয় ইউনিয়ন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। যার সরকারী সমারোহ অনুষ্ঠান পালিত হয় দিল্লিতে। জওহরলাল নেহরু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ভাইসরয় লুইস মাউন্টব্যাটেন এর প্রথম গভর্নর জেনারেল হন।

তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা !

Please Don’t sent Any Spam Link

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post