আসল প্রেম কাহিনী - Part 6, বাস্তব জীবন কাহিনী - Real Life History Bangla pdf

 জীবনের গল্প

বাংলা ইমোশনাল গল্প,মেয়েদের ফটো,girls photo,girls picture

করিমের জীবন কাহিনী

কাজ করতে করতে পড়াশােনা করতে পারলেও ভালাে রেজাল্ট করতে পারবে না। বাস্তব জীবন কাহিনী


তারচেয়ে এক কাজ কর, ও আমাদের আরজু হয়ে আমাদের কাছে থেকে লেখাপড়া করুক।


স্ত্রীর কথা শুনে 

করিম জালাল সাহেবের স্ত্রীর কথা শুনে অবাক হয়ে ওনাদের দিকে তাকিয়ে দেখল, দু’জনেরই চোখে পানি। ভালোবাসার গল্প


জিজ্ঞেস করলো, আরজু কে ?

জালাল সাহেব চোখ মুছে বললেন, আরজু আমাদের একমাত্র সন্তান ছিল। Life Story


অসুস্থ

তাকে আল্লাহ উঠিয়ে নিয়েছেন। তারপর স্ত্রীকে দেখিয়ে বললেন, সেই থেকে অসুস্থ হয়ে গেছে।


একথা শুনে করিমের মনে দুঃখ হল। সেই সঙ্গে ফকিরের কথা তার মনে পড়ল।


কদমবুছি

আল্লাহকে স্মরণ করে সে উঠে এসে প্রথমে জালাল সাহেবকে এবং পরে তাহেরা বেগমকে কদমবুছি করে,


করিম বলে আমাকে আপনারা আপনাদের ছেলে মনে করবেন। ভালোবাসার কাহিনী


তাহেরা বেগম তার মাথায় চুমাে খেয়ে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে বললেন,


হ্যা, তাই মনে করব বাবা। সে জন্যে বােধ হয় আল্লাহ তােমাকে আমাদের কাছে এনে দিয়েছেন।


আমরা তােমাকে আরজু বলে ডাকব।

সেই থেকে করিম আরজু হয়ে তাদের কাছে থেকে লেখাপড়া করতে লাগল।


পাঁচ ওয়াক্ত নামায

সে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও প্রতিদিন ভােরে কুরআন তেলাওয়াত করে।


কুরআন তেলাওয়াত

তাই দেখে জালাল সাহেব ও তাহেরা বেগম নামায পড়ছেন এবং কুরআন

তেলাওয়াত করেন।


ওনারা করিমকে পেয়ে নিজেদের ছেলের কথা ভুলে গেলেন। তাকে আরজু নামে ডাকেন।


ভালোবাসায় মুগ্ধ

করিম ও ওনাদের স্নেহ ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে ওনাদেরকে আব্বা ও আম্মা বলে ডাকে।


সাপের কামড়ে মারা

পরের বছর মনিরার স্বামী সাপের কামড়ে মারা গেল। স্বামী মারা যাওয়ার পর মনিরা দিশেহারা হয়ে পড়ল।


সুন্দরী

কোনাে পুরুষ বলতে ঘরে রইল না। শুধু নাজনীনকে নিয়ে বাস করা মুসকীল হল। মনিরা দেখতে সুন্দরী। 


এখনাে অটুট স্বাস্থ্য। তার ওপর তার স্বামীর জমিজায়গা বেশি না হলেও নেহাৎ কম না।


গ্রামের ছেলে-বুড়াে নিকের

পয়গাম পাঠাতে লাগল। মনিরা তাদেরকে দৃঢ়ভাবে জানাল, সে নিকে করবে না।


কিন্তু তারা লােভ সামলাতে না পেরে বারে বারে পয়গাম পাঠাতে লাগল। রাজি না হলে

অনেকে জানের হুমকি পর্যন্ত দিতে লাগল।


শেষে মনিরা বাধ্য হয়ে আব্বাকে জানিয়ে এর বিহিত করতে বলল।


ওসমানের আগের মতাে গায়ে ক্ষমতা নেই। ছেলে চলে যাবার পর তার স্বাস্থ্য ভেঙ্গে পড়েছে।


জামাইয়ের গ্রামের লােকদের সঙ্গে গোলমাল না করে সেখানকার সব সম্পত্তি সস্তায় বিক্রি করে দিয়ে মেয়ে ও নাতনিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এল।


স্কুলে ভর্তি

নাতনির লেখাপড়ার জিদ দেখে তাকে এখানকার স্কুলে ভর্তি করে দিল।


ওসমান মেয়ের আবার বিয়ে দিতে চাইল। কিন্তু মনিরা কিছুতেই রাজি হল না।


পলি এস, এস, সিতে তিনটে লেটার নিয়ে ফাস্ট ডিডিশনে পাস করল।


ভার্সিটিতে ভর্তি

তারপর উলিপুর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ থেকে ভালভাবে আই.এ. পাস করে বাংলায় অনার্স নিয়ে ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হল।


সে রােকেয়া হলে থাকে।


করিমের একটা বছর নষ্ট হল। সে এস. এস. সি ও এইচ. এস. সি’তে প্রথম।


স্থান অধিকার করে ইসলামিক হিস্ট্রীতে অনার্স নিয়ে ভার্সিটিতে ভর্তি হল।


জালাল সাহেব ও তাহেরা বেগম কলেজে পড়ার সময় করিমকে বার বার

বুঝিয়েছেন,


পার্টি

সে যেন কোনাে পার্টি না করে। কারণ জিজ্ঞেস করলে ছেলের কথা বলেছেন।


আরজু যে ঘরে থাকত সেই ঘরেই করম থাকে। সেখানে আরজুর কয়েকটা বড় বড় ফটো দেয়ালে টাঙ্গানাে রয়েছে।


সেগুলােতে আরজুর কুংফু প্রাকটিস করার ছবি।


তাই দেখে করিম একদিন জালাল সাহেবকে ও তাহেরা বেগমকে বলল, আমি কুংফু শিখব।


জালাল সাহেব বলেন, আজকাল এসব শিখে রাখা ভালাে। দেশের যা অবস্থা,


রাস্তাঘাটে যখন তখন খুন, জখম, হাইজ্যাক লেগেই আছে। তবে তুমি যদি প্রতিজ্ঞা কর,


ঐসব শিখে সাধারণ মানুষের কোনাে ক্ষতি করবে না, তা হলে আমরা আপত্তি করব না।


প্রাকটিস

করিম তৎক্ষণাৎ প্রতিজ্ঞা করল। তারপর কুংফু ক্লাবে ভর্তি হয়ে লেখাপড়ার সাথে সাথে কুংফু প্রাকটিস করতে লাগল ।


শেষে সে এত পারদর্শিতা লাভ করল যে, দু’বছরের মধ্যে কংফু মাস্টার খেতাব অর্জন করল।


এখন সে ঐ ক্লাবে প্রশিক্ষকের কাজও করে।


জালাল সাহেবের কাছে আশ্রয় পাওয়ার দেড় বছর পর সাইফুল একেবারে এস.এস.সির রেজাল্ট নিয়ে নিজেদের গ্রামে যায় ।


আব্বা, আম্মা ও বুবুকে সালাম করে তাদের দোয়া নেয়। বােনাইয়ের মৃত্যুর খবর জেনে বুবুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিল,


তােমার কোনাে চিন্তা নেই। আল্লাহ আমাকে যত দিন বাঁচিয়ে রাখবেন ততদিন

তােমার কোনাে কষ্ট হতে দেব না। 


তারপর থেকে সে প্রথমে নিজের হাত খরচের টাকা বাঁচিয়ে স্টাইফেনের টাকাসহ প্রতি মাসে আব্বাকে কিছু কিছু পাঠিয়েছে।


কুংফু মাস্টার

তারপর কুংফু মাস্টার হওয়ার পর সেখান থেকে যা পায় সেটাও হাত খরচের বাচাঁর টাকার সঙ্গে

আব্বাকে পাঠায়।


মাঝে মাঝে দেশে গিয়ে পলির খোঁজ-খবর নেয়। করিম যখন


ভার্সিটিতে ভর্তি হল তখন পলি অনার্সের সেকেণ্ড ইয়ার চলেছে।


এ্যাডমিশন

সে আগেই পলির ভার্সিটিতে পড়ার খবর জেনেছে। এ্যাডমিশন নেয়ার পর দূর থেকে তাকে লক্ষ্য করে।


লাইব্রেরী

কোনাে দিন কাছে গিয়ে কথা বলার চেষ্টা করে নি। একদিন লাইব্রেরীতে একটা বই নিতে গিয়ে লাইব্রেরীর বারান্দায় তার সঙ্গে মুখােমুখি দেখা।


পলি তখন একটা ছেলের সঙ্গে হেসে হেসে কথা বলতে বলতে লাইব্রেরী থেকে বেরােচ্ছে....

পড়ুন Part 7 


ভূমিকা : লিখতে গিয়ে যদি ভূল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।


এবং কোন সাজেশন এর প্রয়োজন হলে, আমাকে ইমেইল এর মধ্যেমে জানিয়ে দিবেন!

নতুন নতুন কাহিনী পেতে প্রতিদিন এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন,

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Please Don’t sent Any Spam Link

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post