কিডনি দেওয়ার পরীক্ষা
ভালোবাসার গল্প
সাজু : ভালোবাসি।
পারিয়া : কাকে বললেন।
সাজু : তোমাকে
পারিয়া : আমি বাসি না।
সাজু : কেনো ?
পারিয়া : আমার ভালো লাগে না।
সাজু : কেনো ভালো লাগে না।
পারিয়া : আমি বিশ্বাস করি না ভালোবাসায়।
সাজু : আমাকে একবার করে দেখ।
পারিয়া : করলে আমার কি লাভ হবে।
সাজু : করেই দেখ।
পারিয়া : করতে পারি এক শর্তে।
সাজু : ভালোবাসায় শর্ত থাকে নাকি ?
পারিয়া : রাজি থাকলে বল নয়তো চললাম।
সাজু : ওকে আমি রাজি।
পারিয়া : প্রমিস।
সাজু : পাক্কা।
পারিয়া : তোমার একটা কিডনি আমাকে দেন।
সাজু : কি বলছেন।
পারিয়া : তুমি কিন্তু প্রমিস করেছিলে ।
সাজু : কিন্তু।
পারিয়া : কোনো কিন্তু নয়।
সাজু : কি দিয়ে কাটবো।
পারিয়া : এই নেন ।( একটা ভোতা ছুরি দিয়ে )
সাজু : এটা দিয়ে কাটবে নাতো।
পারিয়া : তাহলে কাটতে হবে না।
সাজু : কেনো ? তুই না বললি।
পারিয়া : বললেই করতে হবে নাকি ?
সাজু : আমি যে প্রমিস করেছি।
পারিয়া : ফিরিয়ে নেন।
সাজু : কেন ?
পারিয়া : ভালোবাসি।
সাজু : কাকে ?
পারিয়া : তোমাকে।
সাজু : তাহলে তখন না বললি কেন ?
পারিয়া : দেখলাম।
সাজু : কি ?
পারিয়া : তুই কতটা ভালোবাসিস।
সাজু : কতটা ?
পারিয়া: বলে শেষ করা যাবেনা।
পারিয়া : i love you pagol.
সাজু : i love you too pagli.
সত্যিকারের ভালোবাসা গুলো ঠিক এমনি হয়ে থাকে ।
একটু রাগ একটু অভিমান,
এরি মাজে মন উজাড় করা ভালোবাসা।