একজন বড় ছেলের জীবনের বাস্তব কাহিনী
Reyal life story
কালা মিয়া
বাবা মায়ের ঘরে প্রথম সন্তান হয়ে আসল ছেলেটি।
* এর আগে তাদের ঘরে কোনো সন্তান আসেনি,
* সেই হিসাবে সবার কাছে সেই অনেক বেশি আদরের ছিল।
* আস্তে আস্তে সেই বড় হতে লাগল,
* আর বাবা মা ও অনেক খুশি এর পর তাকে স্কুলে ভর্তি করাল।
* সেই ও পড়ালেখা করতে লাগল।
* এভাবে অনেক গুলো বছর কেটে গেল।
* একদিন তার বাবা মা অন্য ভাই গুলোর থেকে আলাদা হয়ে গেল।
* এরই মধ্যে তাদের ঘরে একটা বোন আসল।
* পরিবারটা অনেক বড় হয়ে গেল।
* ছেলেটা এতদিনে ক্লাস নাইনে উঠল।
একদিন তার বাবা বলতে লাগল সেই একা আর পরিবার সামলাতে পারতেছেনা ছেলেটা এই কথা শোনে বুঝতে পারল তার বাবা কি বলতে চাই।
* পর দিন থেকে ছেলেটা তার বাবার সাথে কাজে চলে যায় তার আর স্কুলে যাওয়া হচ্ছে না।
* এভাবে কেটে গেল অনেক গুলো বছর।
* তখন একদিন তার বাবা বলল বিদেশে যাওয়ার কথা ছেলেটির বয়স তখন সতের বছর।
* ছেলেটি ও না করেনি কারন সেই জানে কোনো না কোনো কাজ করে পরিবারের হাল ধরতে হবে তাকে।
* এর পর সেই বিদেশে চলে গেল, আর সেখানে গিয়ে সেই বুঝতে পারল হয়ত জীবনের সব কিছু হারিয়ে পেলেছে।
* প্রবাসের প্রতিটা দিন তাকে কষ্টের মধ্যে কাটাতে হইছে।
* এর মধ্যে তাদের পরিবারে আরো তিন ভাই জন্ম নিল।
* তার চিন্তা আরো বেড়ে গেল।
* একদিকে নিজের কষ্ট আর অন্যদিকে মা বাবা ভাই বোনের কষ্ট যেন পুরা দুনিয়া তার মাতার উপর পড়ল।
* এর মধ্যে সেই দিন রাত কাজ করে পরিবারের জন্য এক তারিখ টাকা পাঠিয়ে দেয়।
* কষ্ট হলে ও তার পরিবারেরর সবার মুখে হাসি পোটাতে পেরেছে এটাই তার কাছে বড় পাওয়া।
* এক দিন সেই একটু বেশি আয় রোজগার করার জন্য রাতে কাজে যায়,
* কাজ করতে করতে এক সময় তাকে পুলিশ ধরে পেলে কারন তার ভিসা শেষ হয়ে গেল।
* তিন মাস জেলে কেটে যখন বাড়িতে আসল তখন তার হাতে একটাকা ও ছিল না।
* অনেক কষ্টে প্রায় ছয় মাস থাকল,
* এর পর সে অন্য একটি দেশে চলে গেল,
* সেখানে এসে দেখে তার মালিক ঠিক নাই।
* তখন ছয় মাস অনেক কষ্ট করে টাকা জমিয়ে অন্য একটা মালিকের কাছে ভিসা লাগালো।
* এর পর থেকে সারা দিন কষ্ট করে রোজগার করা টাকা দিয়ে পরিবারে ভরণ পোষন ভাই বোন দের লেখা পড়া সব কিছু চালিয়ে যান।
* এভাবে কেটে গেল তার ২৭ টা বছর তার জীবনে ছিল না কোনো আনন্দ কোনো চাওয়া পাওয়া শুধু ছেয়েছিল পরিবারটাকে সাজাতে ভাই বোনদেরকে মানুষের মত মানুষ করতে।
* এভাবে জীবনের সাথে যুদ্ধ করছে হাজার ও পরিবারের বড় ছেলেরা,
* কিন্তুু এর বিনিময় আমরা তাদের কি কিছু দিতে পেরেছি !
আমি স্যালুট জানাই হাজারও পরিবারের বড় ছেলেদের ।
ভূমিকা : লিখতে গিয়ে যদি ভূল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
এবং কোন সাজেশন এর প্রয়োজন হলে আমাকে ইমেইল এর মধ্যেমে জানিয়ে দিবেন !
ভালো লাগলে দয়াকরে শেয়ার করবেন ।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।