আসল প্রেম কাহিনী - Part 23 - New Life History Bangla - Prem Kahini

 ভালোবাসার গল্প

Girls pic,girls photo,মেয়েদের ফটো,মেয়েদের ছবি


love History Bangla

উনি ঐ সব দিয়ে আমার প্রেমকে পরীক্ষা করেছেন।


জ্ঞান

তােমার যখন বিয়ে হয়ে গেল। তখন করআন-হাদিসের ভালাে জ্ঞান না থাকায় তা বুঝতে না পেরে নামায-রােযা ছেড়ে দিয়ে তােমাকে ভুলে থাকার জন্য মদ ধরি।


জ্ঞানের চোখ 

তারপর তারই অপার করুনায় আমাকে শাস্তি দিয়ে তােমাকে আমায় দান করলেন এবং আমার জ্ঞানের চোখ খুলে দিলেন। জীবন কাহিনী


কোটি

সেই জন্যে তার পাক দরবারে কোটি কোটিবার শুকরিয়া আদায় করেছি এবং আজীবন করতে থাকবাে। ভালেবাসার কাহিনী


তােমাকে ছাড়া এ দুনিয়ায় আমার আর কোনাে কিছু কাম্য ছিল না, এখনও নেই, ভবিষ্যতেও থাকবে না। স্বামীর কথা শুনতে শুনতে পলির চোখ দিয়ে পানি পড়ছিল।


আঁচলে চোখ মুছে বললো, তুমি যে আমাকে এত ভালোবাস, আমি কি তার উপযুক্ত ?


প্রতিদান

আমি কি তােমা প্রেমের কণামাত্র প্রতিদান দিতে পারছি ?


করিম তাকে আলিঙ্গন মুক্ত করে দু’হাতে তার মাথা ধরে সারা মুখে চুমােয় চুমােয় ভরিয়ে দিয়ে বললো। 


তােমার কাছ থেকে কতটুকু কি পেলাম না পেলাম।


সেদিকে কখনাে খেয়াল করি নি। তােমায় পেয়ে আমার আশা-আকাংখা পূর্ণ হয়েছে। ভালোবাসার গল্প


সেটাই আমার কাছে সব থেকে বড় পাওয়া, তবু তুমি আমার জন্য যা কিছু করছ । 


পৃথিবী

তাতে করে আমার মনে হয়, পৃথিবীর কোনাে মেয়েই বােধ হয় তার স্বামীকে এত ভালবাসে না, এত প্রেমও দেয় না।


দেশে ফিরে ব্যবসা দেখতে গেলে, সারাদিন তােমাকে ছেড়ে থাকতে হবে মনে করলে ফিরতে ইচ্ছা করে না।


প্লিজ স্টপ

পলি স্বামীর মাথা ধরে সারা মুখে প্রতিদান দিয়ে বলল, স্টপ, প্লিজ স্টপ।


তােমার প্রেমের তুলনায় আমারটা কোটি কোটি ভাগের এক ভাগও নয়। আমাকে ছেড়ে সারাদিন ব্যবসার জন্য বাইরে থাকার কথা যে বললে, তা ঠিক নয়।


পুরুষের পুরুষত্ব থাকতে হবে। বৌয়ের কাছে সব সময় থাকলে লােকে স্ত্রৈণ বলবে।


তা হওয়া তােমার চলবে না। আমি আমার প্রিয়তম স্বামীকে পুরুম দেখতে চাই।


আমার জন্য লােকে গেমায় নিন্দে করবে, তা আমি সহ্য করতে পারব না।


তা ছাড়া আল্লাহপাকের রহমতে ভবিষ্যৎ বংশধর আসছে। তার জন্য তােমার কি কিছু করা উচিত না ?


 ইঙ্গিত

করিম ইঙ্গিতটা বুঝতে পেরে আনন্দে তাকে পাজাকোলা করে তুলে দু'তিন পাক ঘুরপাক খেয়ে আদর-সােহাগে অস্থির করে তুলল।


পলি প্রতিদান দিতে দিতে বললো, এই কি হচ্ছে ?

প্লীজ, ছেড়ে দাও। এই সময় এই রকম করা ঠিক নয়।


করিম তাকে খাটে বসিয়ে বলল, তুমি ঠিক কথা বলেছ, আমার সে কথা মনেই নেই।


তারপর আবার বলল, তুমি মা হতে চলেছ, এতদিন বলনি কেন বলে তাকে শুইয়ে তার ঠোটে একটু জোরে কামড়ে দিয়ে বলল, অন্যায়ের শাস্তি দিলাম।


তারপর তার বুকে মাথা রেখে জিজ্ঞেস করল, ক'মাস ?

ধাক্কা

পলি তাকে মৃদু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে বলল, অত জোরে কামড়ালে ব্যথা লাগে না বুঝি ?


করিম বললো, লাগবার জন্যই তাে কামড়ালাম বললাম না, অন্যায়ের শাস্তি ?


এখন যা জিজ্ঞেস করলাম বল ।।

যাও বলব না, আমার লজ্জা করছে। পাক লজ্জা, তবু বল।। বলব না।। 


করিম তার হাত দুটো ধরে মুখের উপর ঝুঁকে পড়ে বলল, বল বলছি, নচেত কামড়ে ঠোট ফুলিয়ে দেব।

ব্যাথা পাব না বুঝি ?


সেই জন্যে তাে কামড়াব। তুমি বলছো না কেন ?

লজ্জায়

তিন মাস বলে পলির মুখটা লজ্জায় লাল হয়ে গেল।


সে তাকিয়ে থাকতে না পেরে চোখ বন্ধ করে নিল।


করিম তার হাত ছেড়ে দিয়ে আলতাে করে তার ঠোটে চুমাে খেয়ে বললো, এবার তা হলে দেশে ফিরতেই হয় কি বল ?


পলি স্বামীর মাথা বুকে জড়িয়ে ধরে বললো, ইনশাআল্লাহ ফিরব। এবার একটা কথা বলি ? বল।।


একটা কথা ভেবেছি। কি ভেবেছ বলবে তাে।

আমি তাে তােমার অফিসের ম্যানেজারের এতদিন পি. এ. ছিলাম। 


দেশে ফিরে। অফিসের সাহেবের পি.এ. হতে চাই। সাহেবের স্ত্রী হয়ে থাকতে বুঝি আর ভালাে লাগছে না ?


সাহেব যে বললো, সে তার স্ত্রীকে ছেড়ে সারাদিন অফিসে থাকতে পারবে না। পি. এ. হলেও তাে সাহেবের কাছে থাকতে পারবে না। 


পাশের রুমে থাকবে। তা হলে তাে সেই একই কথা।।

তা কেন ?


পলি বললো সাহেবর ইচ্ছা হলে ডেকে কাজের বাহানায় সামনে বসিয়ে রাখবে।


স্টাফ

আজকাল তাে অফিসের বসরা সুন্দরী যুবতী মেয়ে স্টাফদের যখন তখন কাজের বাহানায় ডেকে খােশ গল্প করে।


ইয়ার্কি

করিম বুঝতে পারলো, পলি আগের অভিজ্ঞায় তার সঙ্গে ইয়ার্কি করছে। 


করিম বললো, দেখ, বেশি ফাজলামী করলে কামড়ে গালের মাংস তুলে নেব। তখন টের পাবে।


তারপর একটু আহত স্বরে বললো, আমি ঐসব নােংরা ফাজলামি ভালবাসি না।


পলি নিজের ভুল বুঝতে পেরে হাত জোড় করে বললো, অজ্ঞানতার কারণে অন্যায় করে ফেলেছি, দয়া করে মাফ করে দাও।।


তার সঙ্গে ফাওটাও দিচ্ছি বলে করিম তাকে জড়িয়ে ধরে চুমাে খেতে লাগল ।।


প্রেগনেন্সি

দীর্ঘ এগার মাস পরে তারা ফিরে এলো । মনিরা ও নাজনীন পলির প্রেগনেন্সির কথা শুনে খুশী হল।


করিম ভবিষ্যৎ বংশধরের চিন্তা করে ব্যবসায় মন দিল। মাসখানেক পর মনিরা একদিন করিমকে বললো, আমরা সবাই এ বাড়িতে চলে আসি। 


ওখানে আমার একদম মন টিকে নি। অত বড় বাড়িতে নাজনীনকে নিয়ে। থাকতে ভালাে লাগছে না।


শুধু শুধু আমাদের দুজনের জন্য বাড়িটা ফেলে রাখবি, কেন ? তারচেয়ে ভাড়া দিয়ে দে।


এ বাড়িতে কত রুম খালি পড়ে আছে। তা ছাড়া পলির পেটে বাচ্চা। ওকে এখন সাবধানে রাখতে হবে। ওর দিকে লক্ষ্য রাখবে কে ?


তুই তাে সারাদিন অফিসে থাকিস।।


করিম বললো, বুবু, তুমি ঠিক কথা বলেছ। সেই ব্যবস্থাই করব।

মনিরা বলল, আর একটা কথা, তােরা দু'জনেই ছেলে মানুষ।


তাই বলছি, পলিকে নিয়ে তই একবার দেশে যা। তাের শ্বশুর-শাশুড়ীকে সালাম করে ওনাদের দোয়া নেয়া কর্তব্য।


মানষিক যন্ত্রণা

তা ছাড়া পলি ওনাদেরকে যেমন অনেক দিন দেখে নি, তেমনি ওনারা মেয়েকে ঘর থেকে বের করে এতদিন মানষিক যন্ত্রণায় ভুগছেন।


যত তাড়াতাড়ি পারিস ওনাদের সঙ্গে দেখা করে আয়। আর সেই সঙ্গে আব্বা জহুর চাচাকে আমাদের ঘরে রেখে যে সমস্ত আবাদি জমি-জায়গা ভাগ চাষে দিয়ে এসেছিলো,


সেসবের হিসাবপত্র করে আমদের পাওনা আদায় করবি।


করিম বলল, তুমি খুব ভালাে কথা বলেছ, এটা করা একান্ত উচিত। তােমরা কালকেই গােছগাছ করে এখানে চলে আসো।


ভাড়া

আমি দু'একদিনের মধ্যে ঐ বাড়ির সব মালপত্রও এখানে নিয়ে চলে আসবো। তারপর সামনের মাস থেকে ভাড়া দেয়ার ব্যবস্থা করব।


মামা-মামী দেশে যাবে শুনে নাজনীন বলল, আমিও তােমাদের সঙ্গে যাব।। পলি বললো, নিশ্চয় যাবে।


তারপর মনিরাকে বললো, বুবু তুমিও চল না । মনিরা বললো, আগে তােরা ঘুরে আয়, তারপর কাউকে নিয়ে আমি পরে যাব।


বাসায় একজনকে থাকতে হবে না ?


মনিরা ও নাজনীন গুলশানের বাসায় চলে আসার এক সপ্তাহ পর করিম পলি ও নাজনীনকে নিয়ে গাড়ি করে রওয়ানা দিল।


ভাইয়ারা

নাজনীন সামনে সিটে বসেছে। আর ওরা দু’জন পেছনে। পথে একসময় করিম পলিকে বললো, তােমার বাবা ও ভাইয়ারা আমাকে চেনেন।


যদি আমাকে অপমান করেন ?

পলি বললো, বুবু যেদিন দেশে যাওয়ার কথা তােমাকে বললো, সেই দিনই আমি আব্বাকে চিঠি দিয়ে সব কিছু জানিয়েছি।


টেলিগ্রাম

আর সেই সঙ্গে নাজনীনকে নিয়ে আমরা যে আজ রওয়ানা দেব, সে কথাও টেলিগ্রাম করে জানিয়েছি।


করিম বললো, সত্যি মাঝে মাঝে আমি তােমার বুদ্ধি দেখে অবাক হয়ে যাই।


সে জন্যে তােমাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। নাজনীন শুনতে পেয়ে বলে উঠল, মামা, ধন্যবাদে আমারও কিছু অংশ পাওনা। আছে।


বুদ্ধিমতী

টেলিগ্রাম করার বুদ্ধিটা আমি মামীকে দিয়েছিলাম। করিম হেসে উঠে বলল, তুইও তাে দেখছি বেশ বুদ্ধিমতী হয়ে উঠছিস ?


বহুদিন পর মেয়ের চিঠি পেয়ে হামিদ সাহেবের চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগলো।


সেসময় রাগের মাথায় যা তা বলে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন ঠিক; কিন্তু দিনের পর দিন তার। খোজ না পেয়ে খুব অশান্তিতে দিন কাটাচ্ছিলেন।


আফসানা বেগম ভাত খেয়ে বিছানায় একটু কাত হয়েছিলেন। অসময়ে স্বামীকে।


পাঞ্জাবী

একটা খাম হাতে করে ঘরে ঢুকতে দেখে উঠে বসে এতক্ষণ স্বামীর দিকে চেয়েছিলেন।


চিঠি পড়া শেষ করে তাকে পাঞ্জাবীর খুঁটে চোখ মুছতে দেখে আতঙ্কিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কার চিঠি ? তােমার চোখে পানি কেন ?..

        ............................... 

 Part. 24 পড়তে এখানে ক্লিক করুন 


ভূমিকা : লিখতে গিয়ে যদি ভূল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

নতুন নতুন কাহিনী পেতে প্রতিদিন এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Please Don’t sent Any Spam Link

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post